ফেসবুক পেজ এস ই ও (SEO) কিভাবে করবেন?


facebook seo

আপনি চাইলে আপনার ফেসবুক বিজনেসের এস ই ও (SEO) করতে পারেন। আর আপনি যদি আপনার ফেসবুক পেজের এস ই ও (SEO) করেন তাহলে কেউ যখন আপনার ফেসবুক বিজনেস পেজ নেম লিখে সার্চ করবে গুগলে অথবা ফেসবুকে তখন আপনার ফেসবুক পেজ টা কে খুঁজে পাবে। আজকের আপনাদের সাথে আমি শেয়ার করবো ৫ টি ফেসবুক পেজ এস ই ও (SEO) টিপস। তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

আপনি আপনার ফেসবুক বিজনেস পেজের এস ই ও (SEO) কেন করবেন। এর অন্যতম কারন – ধরুন কেউ একজন আপনার ফেসবুক বিজনেস পেজ নেইম লিখে গুগলে সার্চ করলো। যদি আপনি আপনার পেজ টা কে ভালো ভাবে অপ্টিমাইজ করেন তাহলে তাহলে তারা সেখানে আপনার ওয়েব সাইটের সাথে সাথে আপনার ফেসবুক পেজ টা কে ও দেখতে পাবে।

এক ই ভাবে কেউ যদি ফেসবুকে যায় আর আপনার ফেসবুক বিজনেস পেজ লিখে সার্চ করে তাহলে , আপনার বিজনেস রিলেটেড কোন কী-ওয়ার্ড লিখে সার্চ করে সেক্ষেত্রে ফেসবুক আপনার বিজনেস পেজ কে শো করবে। সো ৫ টি টিপসের মধ্যেপ্রথম যে টিপস টি রয়েছে সেটি হলো।

ভালো নাম নির্বাচন করা  – Select Good Name

আপনাকে প্রথমে বেস্ট একটি নাম চয়েজ করতে হবে । যাতে মানুষ সেই রিলেটড জিনিস গুগলে বা ফেসবুকে সার্চ করে। সেক্ষেত্রে আপনাকে একটা বিষয় মাথায় রাখতে হবে আপনার বিজনেস যদি অনেক বেশি পপুলার হয়। আপনার যদি একটা বিজনেস ব্র্যান্ড থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে বেটার হচ্ছে আপনার ব্র্যান্ড নেমে ফেসবুক পেজ এর নাম টা রাখা।

যে টা কম বেশি সবাই জানে। আর আপনি যদি টোটালি নতুন বিজনেস শুরু করেন অথবা নতুন একটি বিজনেস পেজ খুললেন আপনার বিজনেস এর জন্য সেক্ষেত্রে বেস্ট হবে একটা কী ওয়ার্ড রিচ চয়েজ করে নাম সিলেক্ট করা।  আপনি যদি একটা রেস্টুরেন্ট বিজনেস শুরু করেন সেক্ষেত্রে আপনার পেজের নামের সাথে যদি রেস্টুরেন্ট থাকে তাহলে সেটা সবচেয়ে ভালো হবে।

ইউ আর আল ক্লেইম- URL Claim

ভ্যানিটি ইউ আর আল(URL) বলতে আমরা ইউজার নেম কে বুঝি অথবা এড্রেস কে বুঝি যে টা আমাদের ফেসবুক দিয়ে থাকে যেমন facebook.com । আমরা যখন ফেসবুক ক্রিয়েট করি তখন এই নাম টা থাকে না। আমরা পেজ ক্রিয়েট করার পর ইউজার নেম এর জন্য একটা অপশন দেয়া হয়।

যেখান থেকে আমরা ইউজার নেম চেঞ্জ করতে পারি। তো আমরা যখন ইউজার নেম চেঞ্জ করবো তখন আমাদের কে মনে রাখতে হবে সেটা যেন বিজনেস নেম হয় অথবা বিজনেস যদি না দিতে চান তাহলে ভালো মানের একটা কী ওয়ার্ড সার্চ করতে পারেন।

এবাউট সেকশনে কী-ওয়ার্ড ব্যবহার করা- Use keyword in about section

আপনার ফেসবুক পেজে যে এবাউট সেকশন রয়েছে এবং সর্ট যে ডেসক্রিপশন রয়েছে সেখানে আপনি কী – ওয়ার্ড ব্যবহার করেন। আপনার বিজনেস রিলেটেড  কী- ওয়ার্ড দিয়ে এই শর্ট ডেসক্রিপশন টা কে এমন ভাবে লিখেন ।

যাতে এই রিলেটেড কী- ওয়ার্ড গুলো মানুষ সার্চ করে ফেসবুক অথবা গুগলে। সেক্ষেত্রে আপনি  যদি রিলেটেড কী- ওয়ার্ড দিয়ে অপটিমাইজ করতে পারেন তাহলে খুব সহজে আপনি আপনার পেজ টা কে র‍্যাঙ্কিং করতে পারবেন।

ব্যাকলিংক তৈরি করা –  Create backlink

আপনি যখন পেজ ক্রিয়েট করে ফেলেছেন। পেজ অপটিমাইজ করছেন। নেইম এবং ভ্যানিটি ইউ আর আল(URL) ক্লেইম করে ফেলেছেন, শর্ট ডেস্ক্রিপশিন লিখলেন  এবং আপনার পেইজ টা কে ওয়েল অপটামাইজ করলেন। তারপর যে ব্যাপার টা আপনি মাথায় রাখবেন সেটা হচ্ছে আপনাকে কিছু ব্যাকলিংক তৈরি করতে হবে এই ব্যাকলিংক গুলো হতে পারে ওয়েবসাইট থেকে ।

আপনার বিজনেসের যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে সেখান থেকে আপনি আপনার ফেসবুক পেজে একটা লিংক করে দিতে পারেন। এছাড়া ও আপনার যদি একটি ইয়টিউব চ্যানলে থাকে তাহলে সেখান থেকে ও আপনি আপনার লিংক ব্যাক করতে পারেন।

আপনার যদি  অন্যান্য সোশ্যাল মিডিয়া যেমন- টুইটার, পিন্টারেস্ট, ইন্সটাগ্রাম একাউন্ট থাকে তাহলে সেগুলোর সাথে আপনি আপনার ফেসবুক পেজের সাথে লিংক আপ করতে পারেন। এটা আপনার ফেসবুক পেজ কে র‍্যাঙ্কিং করতে সাহায্য করবে।

রেগুলার স্ট্যাটাস আপডেট দেয়া- Post Regular based

আপনার যে ফেসবুক বিজনেস পেজ টা রয়েছে সেখানে যদি ১০-১৫ লাইকার ও থাকে তাহলে আপনার উচিত হবে প্রতিদিন একটা করে পোস্ট আপডেট করা।  আপনি একটা ইমেজ, একটা , ভিডিও বা লিখিত আকারে কিছু একটা পোস্ট করে পারেন আপনার পেজ রিলেটেড।

কারন আপনি যদি আপনার ফেসবুক বিজনেস পেজে কোনো  পোস্ট ক্রিয়েট না করেন তাহলে ফেসবুক সেটি কে কিছু দিন পর সেটি কে আনপাব্লিশ করে দিবে। বেশিরভাগ বিজনেসের ক্ষেত্রে আমরা দেখি যে পেজ ক্রিয়েট করে ফেলে  তারপর ২ মাসে ও কোন পোস্ট আপডেট দিচ্ছে না তাহলে সেই পেজ র‍্যাঙ্কিং এ আসবে না।

ফেসবুক ওই পেজ গুলো কেই র‍্যাংকিং করে যে পেজ গুলো তে  এঙ্গেজমেন্ট বেশি। যে পেজ গুলো তে পোস্ট হচ্ছে রেগুলার। সো আপনি যদি ফেসবুক থেকে বেনিফিট নিতে চান বা আপনি আপনার বিজেনেস জেনারেট করতে চান। তাহলে আপনার উচিত হবে প্রতিদিন একটা করে হলেও আপনার পেজে পোস্ট করা।

আমরা অনেকেই ফেসবুকে পেজ ক্রিয়েট করি এবং পেজ ক্রিয়েট করার পর পেজ অপটাইমেজেশন বা পেজ লিংক আপ করা বা স্ট্যাটাস আপডেট করা  এগুলা আমরা ভুলে যাই বা আমরা করিনা। আপনি যদি ফেসবুক মার্কেটিং করতে চান যদি আপনি সেলস জেনারেট করতে চান।

সেক্ষেত্রে আপনার উচিত  হবে পেজ ক্রিয়েট করার পর পেজ লিংক আপ করা, পেজ অপটাইমেশন করা, পেজ SEO করা। এরপর আপনি যদি অরগানিক ভাবে পেজ গ্রো আপ  করতে থাকবেন তখন আপনি যদি এডভারটাইজিং করেন সেক্ষেত্রে সেটা আরো পজিটিভ ইমপ্যাক্ট তৈরি করবে আপনার বিজনেসের জন্য।

তো এই ছিলো আজকের আলোচনা । আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে। কিছু শিখতে ও জানতে পেরেছেন আর যদি তাই হয়ে থাকে তাহলে আর দেরি কেন  এখন লিংক টি শেয়ার করে দিন। আর আপনাদের যদি কোন মতামত থাকে তাহলে কমেন্ট বক্সে লিখুন।

আরো পড়ুনঃ ব্যাকলিংক কি? SEO এর জন্য ব্যাকলিংক কীভাবে কাজ করে?

3 Trackbacks / Pingbacks

  1. ব্লগিং এবং এফিলিয়েট মার্কেটিং শুরু করার পাঁচ টি সুবিধা - BD Blog
  2. এস ই ও (SEO) শিখে আপনি কি করবেন? - BD Blog
  3. যে সব বিষয় খেয়াল করলে গুগল এডসেন্স পাওয়া সহজ - BD Blog

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*